বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৭

ছন্দঘড়ি


ছন্দঘড়ি(ছড়ি)-২
_____মুহম্মদ কবীর সরকার

যতই করি কারসাজী,
যতই আটি ফন্দী
সময় যে সব ঘুরে ফিরে
ফেসবুকেতে বন্ধী!
=======
২৬/০৪/১৭ইং
সন্ধ্যা ৯:০০
চট্টগ্রাম

ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ


_____মুহম্মদ কবীর সরকার

ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ ডাকলো ব্যাঙ
অঝোর ধারার বৃষ্টি দিন
বৃষ্টি পড়ে ব্যাঙের মাথায়
দৌড়ে লুকায় কচুরপাতায়!

দৈনিক সমকালে প্রকাশিত
২৫/০৪/১৭ইং

নালিশ


নালিশ
_______মুহম্মদ কবীর সরকার


এক ছিল খুকি।সুন্দর সুন্দর দিন গুলি তার যাচ্ছিল।কখনো পুতুল সোনার বিয়ে দিয়ে। কখনো টিয়ামনির বিয়ে দিয়ে, কখনো বা প্রজাতির সাথে ভাব করে। প্রজাতির রং গায়ে মাখতো। তার ঘরে যেন উৎসব বারো মাসই লেগে থাকতো।পুতুল সোনার রঙিন শারী, খোপায় গাধা ফুল, লাল টিপ, পায়ে নুপুর কত্তো সুন্দর করে সাজাতো প্রতিদিন। জামাইবাবু কাগজের নৌকা দিয়ে উজান ডিঙি বেয়ে আসতো, জামাইবাবুর জন্য কত কি রান্না করতো পোলাও- কোরমা ডিম, দুধ আরো কত কি! জামাই বাবু এক বার খেলে আর ভুলতে পারতো না।

কিন্তু ইদানীং বেশ সমস্যায় পড়েছে খুকি। তার এই সুখে যেন কারো নজর লেগেছে। বিয়ে বিয়ে উৎসব আর টিকছেনা, পাজে টিকটিকি নাকি বরের বাপের কাছে বদনাম করেছে তাই তারা বিয়ে দিতে রাজি হচ্ছিল না।অবশেষে রাজি হল।অপর দিক দিয়ে নেমন্তন্ন খাওয়ার জন্য আসার পথে বিষ পিঁপড়ের দল নাকি   তার প্রাণের সখা গঙ্গাফড়িঙকে কামড়ে দিয়েছিল। জ্বালা শেষ নয় ইদানীং   কেউ যেন এসে চুপিচুপি তার বিয়েবাড়ি সাঙ্গ করে দেয়, কিন্তু সে বুঝতে ও পারছেনা ধরতে ও পারছে না। খুকি ও তার বন্ধুরা মিলে
টুনটুনিকে এই রহস্য উন্মোচনের জন্য গোয়েন্দা হিসেবে নিয়োগ করলো। কয়েক দিন পড় টুনটুনি  উন্মোচন করলো যে, কিছু দুষ্টু ইঁদুর আর একটি বিড়াল প্রতি রাতে তার সাজানো বিয়েতে বাড়িতে লুকোচুরি খেলে। মরণ মরণ লুকোচুরি খেলা, ধরা পড়লেই কেলু।
খুকি ভাবলো দুষ্টু বিড়াল ও ইঁদুর কে শাস্তি দিতে হবে।

সভা বসলো...
টিয়া বললো সখি চল আমরা একটা ফাদ দিয়ে ধরি।
খুকিমনি বললো ফাদ! কি রকম হতে পারে রে টিয়ামনি।
টিয়ামনি বললো আমরা বাজার থেকে একটি ফাদ কিনে আনি!
খুকি মনি :  এই ভাবে সব দুষ্টুরা ধরা পরবে না। তাছাড়া তোর মনে নেউ কিছুদিন আগে ফড়িঙ কে কামড়ে দিয়েছিল পিপড়ে, ওই পাজি পিঁপড়ে, টিকটিকির একটা বিহিত করতে হবে।
টিয়ামনি বললো তবে কি করবি লো সই..
তোমরা সবাই ভাবো দেখি কার মাথায় কি আসে।
টুনটুনি, গঙ্গাফড়িং, প্রজাপতি,ডগি, টিয়ামনি ও খুকি মনি যেন আজ মহা ভাবনায় বসলো।
অতঃপর সবাই একে একে সবার প্লান বললো,
কোনোটাই মন মত হচ্ছিল না।
অতঃপর টুনটুনি উচ্চস্বরে বললো আমার মাথায় প্লান আসছে।
খুকি মনি ও টিয়ামনি সমস্বরে বলে কি?
টুনটুনি গুনগুনিয়ে  কি যেন বললো সবাইকে ।  ডগি শুনে হাত তালি দিতে লাগলো।টুনটুনি বললো শেষ কাজটা ডগি তোমাকেই করতে হবে।
ডগি শুনে নাচতে শুরু করলো। ডগির নাচ দেখে, গঙ্গাফড়িং মনের শেষে উড়তে লাগলো।কোথা থেকে এক উটকো ব্যাঙ এসে কিছু না বুঝেই ঘ্যাঙরঘ্যাঙে গান ধরলো। গান মন্দ চলছিল না। কিন্তু একটু পরেই
টুনটুনি উচ্চস্বরে বললো থামো থামো!  আমাদের এখনি কাজে নামতে হবে আমাকে এক টুকরো মিঠাই দিতে হবে। তাহলে আজ থেকে মিশন শুরু।
ডগি তোমায় যা বললাম মনে আছে তো।
ডগি ডগডগিয়ে বললো হ্যা টুনটুনি মনে আছে।
টুনটুনি একটি ওয়ালে ফাদ হিসেবে একটু মিঠাই  রাখলো।  কিচ্ছুক্ষণ সবগুলি দুষ্টু  পিঁপড়েরা মিঠাই খেতে ভিড় জমালো।
তা দেখে যে টিকটিকি বদনাম করছি সে সব কটি বিষ পিপড়ের দলকে হাপুস হুপুস করে ধরতে লাগলো। টিকটিকির দৌড় দেখে ইদুরের দল ছোটে এসে খপ করে ধরে ফেললো। মেরে ফেললো।
অমনি দুষ্টু বিড়াল কোথা থেকে উড়ে আসলো কেউ দেখেনি, কেউ খেয়াল করিনি। এক লাফে এসে ঘাড় মটকালো ইঁদুরের। সেটা সুন্দর করে খেতে লাগলো।
অমনি শিশ বাজালো টুনটুনি।
অমনি
আড়াল থেকে ডকি এক আঘাতে বিড়ালের পটল তুললো। বিড়াল -ইদুর লুকোচুরি সাঙ্গ করলো।
তা দেখে খুকি মনি ও টিয়া মনির হাসি কে থামায়!
অবশেষে খুকি মনির নীড়ে শান্তি ফিরে এলো।
তারপর সবাই ধরলো আজ টুনটুনির বিয়ে হবে।
তাহলে বরকে?

২৪/০৪/১৭ইং
বায়জিদ বোস্তামি, চট্টগ্রাম
 যায় যায় দিনে প্রকাশিত গল্প
ক্যাপশন যোগ করুন

য় যায় দিনে প্রকাশিত গল

ছন্দঘড়ি(ছড়ি)-১

কেউ বৃষ্টির প্রেমে ডুবে
কারো ফসল জলে ডুবে!

শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৭

মিস্টার বাংলিশ


মিস্টার বাংলিশ
                   _____মুহম্মদ কবীর সরকার
আবুল দাদা শিক্ষিত্ হয়ছে
কথায় কথায় ইংলিশ,
দাবি করে জুড়ছে বলে
আমি মিস্টার বাংলিশ।

বাংলার সাথে ইংলিশ জুড়ে
কাটে ঘ্যাচাংঘ্যাচ,
শব্দে শব্দে কাটাকাটি
লাগায় বিষণ প্যাচ।

একদিন নাকি কাটতে গিয়ে
করছে বিষণ ভুল,
লাঠি হাতে তেড়ে আসে
মূর্খ মুকবুল।

"অহন তেইক্কা ধানই কাটবি
করবি ক্ষেতে কাম
তবেই আর নষ্ট অইব না
বাংলার সু-নাম।"

ক্ষেপে গিয়ে জুড়সে বলে
শিক্ষিতের মারি জাত,
"ধান ক্ষেতেই তুই করবি কাম
খাবি পান্তাভাত। "

০৯/০৪/২০১৭ইং
সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম
পদার্থ বিজ্ঞান ডিপার্টমেন্ট।
সিরিজ :পেন্সিল কাব্য

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৭

নৈঃশব্দ্যে শব্দচারী



-----------------মুহম্মদ কবীর সরকার
হয়তো তখন আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলুম।তখন রাত দুটু কি তিনটে বাজবে বোধহয়।আকাশে হয়তো চন্দ্রকুমারী চন্দ্রিকা ও এক দুটু নীহারিকা মিটমিট করে জলছিল। জ্যোৎস্নাকুমারী জ্যোৎস্না অবিরামভাবে গগন ছেদ করে নিঃসৃত হচ্ছে।তবে মাঝেমাঝে হইতো অকালজলদোদয়ে ভাটা পড়ছে চন্দ্রিকাময়ী রূপ যৌবন।তখন হয়তো চাঁদোয়া রজনীর বদলে বাসা বাধছে তমসালয়।মাঝেমাঝে ব্যাঙ ওর ঘ্যানঘ্যান শব্দ হচ্ছিল। ঝিঝি পোকাগুলো ক্লান্ত হয়ে পড়েছে,তাই তারা নীরবে অবস্থান করছে যারযার শান্তিনিকেতনে। কখনো মৃদু হাওয়া,কখনো ঝড়োহাওয়া বাতায়ন দিয়ে আমার নিদ্রালয়ে প্রবেশ করছে।
হয়তো তখন আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলুম। সহসা অসম্ভাবিতরূপে আমি হেরিলুম, একটি ঘুটঘুটে কালো হাত বাতায়ন দিয়ে আমার ঘুমালয়ে প্রবেশ করলো। অতঃপর সে হাত আমার মোবাইল, বই, ক্যামেরা মুষ্টিবদ্ধ করছে।
হয়তো তখন আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলুম। আমার চক্ষু সম্মুখে ঘটছে,ঘটেচলছে। কিছুতেই কিছু করতে পারছি না।শুধুই বিছানাতে কাতরাচ্ছি। এবং বজ্রশব্দে শব্দ করতে চেষ্টা করছি। কিন্তু শব্দ যেন আজ জটিল বাঁধুনিতে বাধা পড়ে আছে। তাই বজ্রশব্দ নৈঃশব্দ্য হয়েই পরে রইলো মোর শব্দালয়ে।তবু জাগতে পারলাম না।
তন্দ্রাচ্ছন্ন নয় ঘুম,নয় সজাগ। বহুক্ষণ তন্দ্রাচ্ছন্ন ও সজাগের সংগে লড়াই হলো আমার। বারবার যেন রবার্ট ব্রোসের মতো আমি হেরে চলছি। অবশেষে সজাগ হলাম।
সজাগ হয়ে আমি নিজেই একটু অবাক হলাম। এক রহস্য আবিষ্কার করলাম।
সহাজ হয়ে হেরিলুম,
ষোলকলায় পরিপূর্ণ চন্দ্র চন্দ্রিকাময়ী রূপ যৌবন অবিরামভাবে বিলি করছে মোর ঘুমালয়ে।বাতায়ন পাশে সারিবদ্ধ দেবদারু গাছছিল। ঝড়োহাওয়ায় বৃক্ষরাজির পত্র গুলি নৃত্য করছে।কিছুকালের জন্য হাওয়ার দল নীরবতা পালন করছে, এর সাথে বৃক্ষপত্র এর নৃত্য ও। অতঃপর সেকি নৃত্য......!
অতঃপর কিছু পত্র চন্দ্রিকা রমণীকে তার চলার পথে বাধা দিচ্ছে। এবং সে ছায়া আমার ঘুমালয়ে প্রবেশ করছে। যেন সেই ছায়া রূপ ধরেছে বিভীষিকাময় জ্যান্ত কায়া। সেই কায়া উন্মাদ নৃত্য করছে যেন এক জ্যান্ত মানবের ঘুটঘুটে কালো হাত আমার পড়ার টেবিলে ঘাটাঘাটি করছে কিছু একটা খোঁজছে হয়তো।
তখন কি আমি গভীর ঘুমে মগ্ন ছিলুম, না তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলুম, না সজাগ ছিলুম, তা ঠাহর করতে পারছিনে।মাঝেমাঝে ভাবছি হয়তো দেবদারু বৃক্ষের ছায়াটায়.....।কিন্তু চোখের সামনে তো দেখছি একটি জ্যান্ত হাত। নিজের চোখকে তো অবিশ্বাস করা যায় না।
অতঃপর উঠে বসলুম। এবং ডায়েরিতে কিছু লিখলুম, ভাবছি এবার গভীর নিদ্রায়মাণ হবো। অতঃপর কখন নেত্র বুজলুম তা ঠিক ঠাহর করতে পারছি না। হয়তো তখন শেষ রাত্রির শুকতারাটি জেগে উঠেছে।হয়তো তখন ও অকৃপণ চিত্তে জ্যোৎস্নাকুমারী জ্যোৎস্না বিলি করছে।
হয়তো তখন আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন ছিলুম। ফের অসম্ভাবিতরূপে হেরিলুম সেই কায়ার প্রেতবৎ রূপি কালো হাত। সে আমার প্রিয় ডায়েরিটি মুষ্টিবদ্ধ করছে। যেখানে আমার অনেক সাধনার লিখা কবিতা, গল্প, রম্য ইত্যাদি ছিল।
ফের হেরিলুম , সে পৃষ্টার পর পৃষ্ঠা উল্টাচ্ছে। কি যেন শন শন শব্দে পড়ছে, তা বুঝতে পারছিনে, হয়তো কোনো কবিতা হবে কেননা শন শন শব্দে একটা আবৃতি সুর ও খোঁজে পাচ্ছিলুম। তবে কি পড়ছে তা বুঝে উঠতে পারছি না।
অতঃপর আমি ভাবছি, কোনো অতৃপ্ত পাঠকই হতে পারে।আজ হয়তো তাঁর কোনো পুস্তকই মন ভরে নাই। তাই এই রাত্রিরে রবিরশ্মিতে আমার লিখা চুরি করে পড়ছে।যাক পড়ুক গে। কিন্তু সে কে একটু জিজ্ঞেস করে দেখা যাক------
অতঃপর আমি কয়লুম, কি?কে?কে তুমি?আমার ডায়েরি পড়ছো? আমার কবিতা পড়ছো?
কিন্তু কোন সারা শব্দ পেলুম না।সে একের পর এক পৃষ্ঠা উল্টাচ্ছে আর নিভৃত চিত্তে পড়েই যাচ্ছে। অতঃপর উচ্চ কন্ঠে চেঁচাইতে লাগিলুম, কিন্তু আমার যেন মনে হচ্ছে আমি চন্দ্রের পৃষ্ঠে চেঁচাচ্ছি, তাই শূণ্য ডিসেবল শব্দ আমার থেকে উৎপন্ন হল না। সেই ক্ষুধার্ত পাঠকের সাথে কিছু বন্ধু সুলভ কথা বলবো ভেবেছিলুম তা আর হল না। এতক্ষণে তাঁর সনে আমার ভাব ও হয়ে যেতে পারতো, তাতে বেশ লাভ ও হতো, কিন্তু কিছুই হল না। না আরেক বার চেষ্টা করে দেখি,,, আমি কইলাম--- পাঠাক সাহেব শুনছেন আমি আপনার সাথে একটু কথা বলতে চাই, তবে আপনি যদি কিছু মনে না করেন। এবার হয়তো সে রাগ করেছে পাঠক সাহেব তথা সেই প্রেতবৎ রূপি কালো হাত। সে উচ্চশব্দে শন শন করে চলে যাচ্ছে,এবং এরি সাথে আমার প্রিয় ডায়েরিটা নিয়ে যাচ্ছে।
অতঃপর আমি চিৎকার করে বললাম, কি? দয়া করে আমার ডায়রি টা নিয়োনা, আমার কবিতা নিয়োনা, গল্প নিয়োনা প্লিজ। কিন্তু কে শুনে কার কথা। আমার মনে হচ্ছে আমার চিৎকার শব্দালয়ে নৈঃশব্দ্যে শব্দচারী বিনা আর কিছু নয়। কেননা আমার শব্দ যন্ত্র সব যেন আজ অকেজো হয়ে পড়েছে।
অতঃপর, অতঃপর হয়তো, জ্যোৎস্নাকুমারী মেঘমল্লার অভ্যন্তরে ডুব দিলো। অতঃপর হয়তো সারা বিশ্বে বিশেষ করে আমার ঘুমালয়ে আধারের সুযোগ পেয়ে প্রেতবৎ নাচছে। হয়তো তখন উন্মাদ হাওয়া বইছিল।
তখন আমি কি করছিলুম তা বলতে পারবো

মুখপোড়া


কোন মুখে বলবো তোরে ভালবাসি
আমার সর্বনাশ যে মুখে ঢাকা
আমি যে সর্বনাশী
তবু ও ভালথাকিস
ভালবাসি নায়বা বললাম তোরে
ভালবাসিবো তোরে যতোই থাকি দূরে!!
_____মুখপোড়া
মুহম্মদ কবীর সরকার
============
১৮/০৪/১৭
(সন্ধ্যাঃ১০:০০)
চট্টগ্রাম
মুখপোড়া 

সোনা ব্যঙের বিয়ে


সোনা ব্যাঙের বিয়ে
মুহম্মদ কবীর সরকার
★★★
সোনা ব্যাঙের বিয়ে হবে
দিলো নিমন্ত্রন,
বাজবে সানাই বর্ষা বরণ
অাসবে সর্বজন।
কুনো দাদা সংগে করে
নিয়ে এলো ছাতা,
উপহারে ভরে গেল
বিয়ে বলে কথা।
টুনটুনিয়ে গুনগুনিয়ে
বললো দুটো ধাঁ ধাঁ
এই ধাঁ ধাঁ না ভেঙ্গে দিলে
বর ছেলেরা গাধাঁ।
ধাঁধাঁ শুনে জামাই বাবু
চুপসে গেলো হায়,
ধাঁ ধাঁয় ফেলে কনের সখি
হাজার কড়ি চায়।
ঘাসফড়িং ও গঙ্গাফড়িং
সেই তালে দেয় নাচ,
কনের বাড়ি সুর উঠালো
ফেলে সবাই কাজ।
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙে প্রনয় সুরে
ডাকলো যখন ব্যাঙ,
ওমনি এলো বৃষ্টি নেমে
মারলো শিয়াল ল্যাঙ।
শিয়াল গুরু দৌড়ে পালায়
ছাতা গেলো উড়ে,
'শুভ দৃষ্টি' লগন শেষে
বিয়ে র'লো পরে।
মাছি এসে ভন ভনিয়ে
নাকি সুরে বলে,
বিয়ে হবে কোলা ব্যাঙের
বৃষ্টি গেলো চলে।
'শুনেন সবে' ডাকলো ইঁদুর
দৃষ্টি অাকর্ষণ,
বৃষ্টি গেলো অাবার এলো
বিয়ের এ ল-গ-ন।
রচনাকাল:২০/০৩/২০১৭ইং
সাগরিকা, চট্টগ্রাম।
সোনা ব্যঙের বিয়ে

বিশেষ পোস্ট

সোনা ব্যঙের বিয়ে

সোনা ব্যাঙের বিয়ে মুহম্মদ কবীর সরকার ★★★ সোনা ব্যাঙের বিয়ে হবে দিলো নিমন্ত্রন, বাজবে সানাই বর্ষা বরণ অাসবে সর্বজন। কুনো দাদা সংগে...

পোস্ট গুলি